| বঙ্গাব্দ

‘স্মার্টফোনে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি মাদকের মতোই মারাত্মক ক্ষতিকর’: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 06-09-2026 ইং
  • 15712 বার পঠিত
‘স্মার্টফোনে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি মাদকের মতোই মারাত্মক ক্ষতিকর’: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ
ছবির ক্যাপশন: ‘স্মার্টফোনে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি মাদকের মতোই মারাত্মক ক্ষতিকর’:

‘স্মার্টফোনে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি মাদকের মতোই মারাত্মক ক্ষতিকর’: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ

স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার ও ডিজিটাল ডিভাইসের প্রতি চরম মানসিক নির্ভরতা রাসায়নিক মাদকের মতোই ব্রেনের কার্যক্ষমতায় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। রোববারে (৬ সেপ্টেম্বর) মানসিক স্বাস্থ্য ও নিউরোসাইকোলজি বিষয়ক এক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা জানান, টানা স্ক্রিন টাইম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার তরুণ ও শিশুদের মস্তিষ্কে ডোপামিন নামক রাসায়নিকের ভারসাম্য নষ্ট করছে, যা আসক্ত ব্যক্তির আচরণের সমতুল্য মানসিক অস্থিরতা তৈরি করছে।

সংবাদের মূল কিছু পয়েন্ট

  • মূল ঝুঁকি: মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হ্রাস ও মারাত্মক মানসিক আসক্তি সৃষ্টি।

  • প্রভাবিত গোষ্ঠী: প্রধানত শিশু, কিশোর ও উঠতি বয়সের তরুণ সমাজ।

  • কারণ: অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, অনিয়ন্ত্রিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ও মোবাইল গেমিং।

  • সুপারিশ: স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ, শারীরিক খেলাধুলা বাড়ানো ও সচেতনতা সৃষ্টি।

মস্তিষ্কে মাদকের সমতুল্য প্রভাব ও শারীরিক ঝুঁকি

নিউরোসার্জন ও মানসিক রোগ চিকিৎসকদের মতে, মাদক সেবন করলে মস্তিষ্কে যেভাবে ডোপাইন নিঃসরিত হয়ে ক্ষণস্থায়ী তৃপ্তি তৈরি করে, ঠিক একইভাবে স্মার্টফোনে অতিরিক্ত লাইক, কমেন্ট ও গেমের জয়ে মস্তিষ্কে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

এর ফলে ব্যবহারকারী ক্রমশ এই অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। হঠাৎ ফোন দূরে রাখলে বা ইন্টারনেট না থাকলে বিষণ্ণতা, চটজলদি রাগ, মনোযোগের ঘাটতি এবং চরম অস্থিরতার মতো লক্ষণ দেখা দিচ্ছে, যা মূলত আসক্তিজনিত ব্যাধি।

প্রতিকার ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরিবারের অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অবিলম্বে সচেতনতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত শিশুদের হাতে স্মার্টফোন না দেওয়া এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার বাইরে স্ক্রিন ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

চিকিৎসকরা দৈনিক অন্তত এক থেকে দুই ঘণ্টা মাঠের খেলাধুলা, বই পড়া এবং শারীরিক ব্যায়ামে তরুণদের যুক্ত রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন, যাতে মোবাইল ডিভাইসের মানসিক ফাঁদ থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency