প্রকল্পের কারিগরি ও অবকাঠামোগত দিক
লাদাখের লেহ ও সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে কয়েকশত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের পাশাপাশি এই কাঠামোগুলোকে 'রান-অফ-দ্য-রিভার' (Run-of-the-river) পদ্ধতিতে রূপদান করা হচ্ছে, যা নদের স্বাভাবিক পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত না করে জলাধার ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম।
পাক-ভারত পানি চুক্তি ও ইসলামাবাদের আপত্তি
১৯৬০ সালের বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত 'সিন্ধু পানি চুক্তি' (Indus Waters Treaty) অনুযায়ী, পশ্চিমের তিন নদ-নদী—সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাবের পানির সিংহভাগ ব্যবহারের অধিকার পাকিস্তানের।
পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া: ভারতের এই নতুন নির্মাণকাজ চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করছে দাবি করে আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতে অভিযোগ তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামাবাদ।
দিল্লির আইনি যুক্তি: ভারত সরকারের মতে, চুক্তি সীমানার ভেতরে থেকেই অ-ব্যবহারিক এবং স্থানীয় বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের জন্য পানি শক্তি ব্যবহারের পূর্ণ আইনি অধিকার তাদের রয়েছে।
এক নজরে সিন্ধু নদ প্রকল্প বিতর্ক
| বিষয় | বিবরণ |
| অবস্থান | লাদাখ (লেহ ও সংশ্লিষ্ট সীমান্ত অঞ্চল), ভারত |
| মূল নদ | সিন্ধু নদ (Indus River) |
| প্রকল্পের প্রকৃতি | জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ড্যাম নির্মাণ |
| বিতর্কের ভিত্তি | ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি এবং ইসলামাবাদের নিরাপত্তা উদ্বেগ |
কৌশলগত ও আঞ্চলিক প্রভাব
হিমালয় সংলগ্ন সীমান্ত অঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ভারতের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিরক্ষা ও বিদ্যুৎ শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্তঘেঁষা কৌশলগত অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করার মাধ্যমে পাকিস্তান ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের ওপর নতুন ভূ-রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি তৈরি হলো বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |