মেটা ডিসক্রিপশন: চলমান তীব্র জ্বালানি সংকট ও জ্বালানি তেল সাশ্রয়ের লক্ষ্যে আসন্ন লংমার্চ কর্মসূচিতে ব্যবহৃত যানবাহনের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)। বিস্তারিত জানুন।
দেশে চলমান তীব্র জ্বালানি সংকট এবং জ্বালানি তেলের অনিয়ন্ত্রিত অপচয় রোধের লক্ষ্যে আসন্ন লংমার্চ কর্মসূচিতে বহরের যানবাহনের সংখ্যা দৃশ্যমান হারে কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)। আজ সকালে আয়োজিত দলের এক কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির শীর্ষ নেতারা এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন। রাজপথে রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর জ্বালানি সংকটের চাপ বিবেচনা এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দিক দিয়ে দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই দলটি এই ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
যানবাহন কমানোর কারণ ও নতুন কৌশল
এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যপ্তি বজায় রেখেও জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব।
যানবাহন পুনর্নির্ধারণ: পূর্বপরিকল্পিত বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির বড় বহর ছোট করে তুলনামূলক কম ও বড় যানবাহনে নেতাকর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গণপরিবহন ব্যবহারে জোর: অনেক স্থানে ব্যক্তিগত গাড়ি পরিহার করে ট্রেন ও সাধারণ যাত্রীবাহী বাস ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি অপচয় রোধ: কর্মসূচির কারণে যাতে সাধারণ জ্বালানি সরবরাহে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
এনসিপির সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
জাতীয় জ্বালানি সংকটের সময়ে একটি রাজনৈতিক দলের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সুশীল সমাজ ও পরিবেশকর্মীরা।
| বিষয়ের বিবরণ | এনসিপির নতুন পরিকল্পনা ও কৌশল |
| মূল উদ্দেশ্য | রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি জ্বালানি তেল সাশ্রয় নিশ্চিত করা। |
| যাতায়াত মাধ্যম | দীর্ঘ বহরের বদলে সমবেতভাবে বড় বাস ও রেলযাত্রাকে প্রাধান্য। |
| রাজনৈতিক বার্তা | সংকটের সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণের তাগিদ। |
কী পয়েন্ট: সংকটের সময়ে দায়িত্বশীল রাজনীতির দৃষ্টান্ত
এনসিপি নেতারা স্পষ্ট করেছেন যে, সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলন ও গণদাবি অব্যাহত থাকবে, তবে দেশের বিদ্যমান সংকটকালে জ্বালানি অপচয় করে সাধারণ জনগণকে কষ্টে ফেলা তাদের লক্ষ্য নয়।
দলের এ সিদ্ধান্তের ফলে নির্ধারিত সময় ও পথেই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে, তবে কম যানবাহন ব্যবহারে যানজট ও জ্বালানি ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |