কূটনৈতিক সফলতা ও নতুন বৈশ্বিক অক্ষ
গত ছয় মাসে ইরানের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে ইউরেশীয় ও এশীয় পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে।
তেহরান ব্রিকস (BRICS) এবং সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (SCO) মতো প্রভাবশালী বৈশ্বিক মঞ্চগুলোকে ব্যবহার করে পশ্চিমা অর্থনৈতিক অবরোধের বিকল্প বাণিজ্য পথ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
কৌশলগত আত্মবিশ্বাসের মূল উপাদানসমূহ
রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশটির এই বর্ধিত আত্মবিশ্বাসের পেছনে কয়েকটি দৃশ্যমান উপাদান কাজ করছে:
প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সক্ষমতা: নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ডাইভারসিফাইড সামরিক প্রতিরোধ ব্যবস্থার ধারাবাহিক আধুনিকীকরণ।
আঞ্চলিক শক্তির সমন্বয়: লোহিত সাগর, লেবানন ও ইরাকে মিত্র গোষ্ঠীর মাধ্যমে নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করা।
বিকল্প অর্থনীতির সচলতা: পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চীন ও অন্যান্য বৈশ্বিক অংশীদারদের কাছে জ্বালানি তেল রফতানি অব্যাহত রাখা।
এক নজরে ইরানের কৌশলগত অগ্রগতি
| বিষয় | বিবরণ |
| কৌশলগত অবস্থান | প্রতিরক্ষা থেকে বের হয়ে আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ |
| প্রধান বৈশ্বিক মিত্র | চীন, রাশিয়া এবং ব্রিকসভুক্ত রাষ্ট্রসমূহ |
| সামরিক সক্ষমতা | মিসাইল ও ড্রোন প্রযুক্তির আধুনিকীকরণ |
| কূটনৈতিক অর্জনক | পশ্চিমা একঘরে করার চেষ্টা ব্যর্থ করে বৈশ্বিক জোটে অন্তর্ভুক্তি |
মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন বার্তা
তেহরানের এই ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাস মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ও কূটনৈতিক ভারসাম্যকে নতুন এক সমীকরণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা যেখানে ইরানকে নানা উপায়ে চাপে রাখার চেষ্টা করছে, সেখানে তেহরান প্রমাণ করেছে যে বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞার মাঝেও স্বনির্ভর নীতি ও কৌশলগত মিত্রতার ওপর ভর করে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |