অগ্নিসংযোগের ক্ষয়ক্ষতি ও কৌশল
জাতিসংঘের মানবাধিকার কর্মীদের সংগৃহীত তথ্যানুযায়ী, এই হামলাগুলোর মূল লক্ষ্য ফিলিস্তিনিদের শতবর্ষী জলপাই বাগান, ফসল ভর্তি জমি, ব্যক্তিগত যানবাহন এবং পারিবারিক বাসস্থান।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীরা রাতে বা সামরিক বাহিনীর সুরক্ষায় এই হামলাগুলো চালায়। এর ফলে ফিলিস্তিনি কৃষকরা তাদের জীবিকা হারাচ্ছেন এবং মূল ভূখণ্ড ছেড়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এসব নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে স্থানীয় ইসরায়েলি পুলিশ ও সামরিক বাহিনী কোনো কার্যকর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।
বিচারহীনতার সংস্কৃতি: প্রায় ৯৯ শতাংশ অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার ঘটনায় কোনো বসতি স্থাপনকারীকে গ্রেফতার বা অভিযুক্ত করা হয় না।
ভুক্তভোগীদের বাধা: ফিলিস্তিনিরা ফায়ার সার্ভিস বা সাহায্য চাওয়ার চেষ্টা করলে প্রায়ই ইসরায়েলি তল্লাশি চৌকিতে তাদের আটকে রাখা হয়।
পদ্ধতিগত বাস্তুচ্যুতি: বারবার হামলার কারণে অনেক পরিবার তাদের পৈত্রিক জমি ত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছে, যা পরবর্তীতে অবৈধ বসতি স্থাপনে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এক নজরে জাতিসংঘের রিপোর্ট
| বিষয় | বিবরণ |
| মূল তথ্য | ফিলিস্তিনিদের ৮৯% অগ্নিসংযোগের পেছনে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা জড়িত |
| আক্রান্ত এলাকা | দখলীকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম সংলগ্ন অঞ্চল |
| প্রধান লক্ষ্যবস্তু | জলপাই বাগান, কৃষিভিত্তিক সম্পদ, বাসস্থান ও যানবাহন |
| প্রতিবেদনকারী | জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয় (OCHA) |
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার আহ্বান
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করে জানিয়েছে যে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় ব্যর্থতা চতুর্থ জেনেভা কনভেনশনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ফিলিস্তিনিদের সম্পদ সুরক্ষায় ব্যর্থতার দায়ে ইসরায়েলি প্রশাসনের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |