জি এম কাদের: নব্য ফ্যাসিবাদীরা জাতীয় পার্টিকে ব্ল্যাকমেইল করছে
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের অভিযোগ করেছেন, শেখ হাসিনার মতো নব্য ফ্যাসিবাদীরা এখন জাতীয় পার্টিকে ব্ল্যাকমেইল করছে। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার শাসনামলের মতো বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে নতুন ধরনের ফ্যাসিবাদ শুরু হয়েছে, যেখানে জাতীয় পার্টি একের পর এক মিথ্যা ও দুর্নীতির ভিত্তিহীন অভিযোগের শিকার হচ্ছে।
শুক্রবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যায় রংপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। জি এম কাদের অভিযোগ করেন, "শেখ হাসিনার ব্ল্যাকমেইলের কারণে আমাকে অনেক সময় মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়েছে। এখন আবার নব্য ফ্যাসিবাদীরা আমাদের দলকে দুর্নীতির মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঘিরে ধরেছে। ২০১৪ সালে যখন আমাকে দুর্নীতি মামলার জন্য অনুসন্ধান করা হয়েছিল, তখন দুইটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার পরও কেউ আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি।"
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের শাসনামলে পুলিশ দুর্নীতির সাথে যুক্ত হয়ে পড়েছে, এবং এখন সেনাবাহিনীকে দুর্নীতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, "যদি সেনাবাহিনীকেও নষ্ট করা হয়, তাহলে দেশবাসীকে কে নিরাপত্তা দেবে?" তবে, তিনি সেনাপ্রধানের পদত্যাগ চাওয়ার পক্ষে নন, বরং সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন।
এছাড়া, তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের নির্বাচন বিশাল জনগণের অংশগ্রহণের বাইরে রাখলেও, বর্তমানে আবারও জাতীয় পার্টিকে বাদ দিয়ে নতুনভাবে জোড়াতালি দিয়ে নির্বাচন করতে চাচ্ছে। তিনি বলেন, "এমন হলে নির্বাচন কোনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না এবং দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে না।"
এ সময় তিনি একেবারে পরিষ্কার ভাষায় মন্তব্য করেন, জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয়। "আমরা চাই দেশে গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচন হোক, যাতে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।"
জি এম কাদেরের এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যখন দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে এবং তার দলের শাসন আমলে বিরোধীদের নিয়ে নানা রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিতর্কগুলো সামনে আনছে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এর মাধ্যমে দলের অবস্থা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, যা আগামী দিনে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দলীয় সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি করতে পারে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |