প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে বিএনপির সহ–আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. জাহেদ উর রহমান সম্পর্কে ব্যক্তিগত সম্পর্কের অভিযোগ তোলেন—ভিডিওতে তিনি আরও দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে ড. জাহেদের স্ত্রী আনা নাসরিন এক সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ দাবির পর আনা নাসরিন নিজ ফেসবুক প্রোফাইলে ইলিয়াসের ভিডিও শেয়ার করে স্পষ্ট জানান, তিনি বিচার চেয়ে কোনো সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। একই পোস্টে তিনি দীর্ঘ ব্যাকগ্রাউন্ড নোটে ব্যক্তিগত ভিডিও ও চাপ সৃষ্টির অভিযোগ তুলে ধরেন। এই তথ্যটি দৈনিক যুগান্তরসহ মূলধারার গণমাধ্যমেও প্রতিবেদন হয়েছে।
এর পর পৃথকভাবে ড. জাহেদ উর রহমান নিজের ফেসবুক পোস্টের উদ্ধৃতি দিয়ে গণমাধ্যমকে জানান, তাকে ব্ল্যাকমেইল করে কিছু করানো হচ্ছে—এ দাবি “সর্বৈব মিথ্যা”; ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে তিনি সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কে যেতে চান না। বিষয়টি চ্যানেল আই অনলাইন ও জায়যাইদিন অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে নির্বাচন–সংশ্লিষ্ট একাধিক ঘটনায় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ঘিরে অনলাইন বিতর্ক ও পাল্টা–বক্তব্যও সংবাদমাধ্যমে এসেছে; যেমন, নির্বাচন কমিশনে উত্তপ্ত অবস্থার পর ফেসবুকে তর্কাতর্কির খবর দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও ডেইলি এশিয়ান এজ–এ প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদন ব্যক্তি–আক্রমণ নয়, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে প্রাধান্য দিয়েছে।
ইলিয়াস হোসেন ভিডিওতে ব্যক্তিগত সম্পর্কের অভিযোগ তুলেছেন—এটি প্রকাশ্য সোশ্যাল–মিডিয়া কনটেন্ট ও একাধিক প্রতিবেদনে নথিভুক্ত।
আনা নাসরিনের খণ্ডন/বিশেষ বিবৃতি: তিনি বলেছেন, “বিচার চেয়ে কোনো সাংবাদিকের সাথে যোগাযোগ করিনি”—এটি তার নিজের প্রকাশ্য পোস্টের সারসংক্ষেপ হিসেবে যুগান্তরে উদ্ধৃত।
ড. জাহেদের অবস্থান: “ব্ল্যাকমেইল করার মতো দুর্বলতা নেই; ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কথা বলব না”—চ্যানেল আই অনলাইন ও যায়যাইদিন অনলাইনের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত।
রুমিন ফারহানাকে ঘিরে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েন নিয়ে ইসির ঘটনায় অনলাইন রিপোর্ট রয়েছে (ব্যক্তিগত নয়, রাজনৈতিক প্রসঙ্গ)।
কোনো “ব্যক্তিগত ভিডিও”র অস্তিত্ব, উৎস বা সত্যতা—এ বিষয়ে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন, আদালত–নথি বা স্বীকৃত গণমাধ্যমের যাচাই–প্রতিবেদন প্রকাশ পায়নি; সোশ্যাল মিডিয়ার দাবি–প্রতিক্লেম স্বতন্ত্রভাবে প্রমাণিত নয়।
ব্যক্তিগত নৈতিকতা–সংক্রান্ত অভিযোগগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রামাণ্য দলিল দিয়ে নিশ্চিত হয়নি; সুতরাং সংবাদমাধ্যম হিসেবে আমরা এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখ করছি, সত্য হিসেবে নয়।
বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও দণ্ডবিধি অনুযায়ী ব্যক্তিগত ছবি/ভিডিও অননুমোদিতভাবে প্রচার, শেয়ার বা ব্ল্যাকমেইলের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো প্রকাশ্য বিবৃতিতে ব্যক্তিগত কনটেন্ট প্রচারের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছেন—এটি আনা নাসরিনের পোস্টের সারমর্মেও এসেছে।
যুগান্তর: “ড. জাহেদ ইস্যুতে স্ত্রী আনা নাসরিন কী লিখেছিলেন ফেসবুকে?”—আনা নাসরিনের পোস্টের উদ্ধৃতি সহ প্রতিবেদন, প্রকাশকাল সাম্প্রতিক।
চ্যানেল আই অনলাইন: ড. জাহেদের পোস্ট–ভিত্তিক সংবাদ—“ব্যক্তিগত বিষয় সোশ্যাল মিডিয়ায় বলব না; ব্ল্যাকমেইল করার মতো দুর্বলতা নেই।”
জায়যাইদিন অনলাইন: একই মর্মের প্রতিবেদন—ড. জাহেদের ‘ব্ল্যাকমেইল’ দাবির প্রত্যাখ্যান।
The Business Standard/Daily Asian Age: রুমিন ফারহানাকে জড়িয়ে ইসি–কেন্দ্রিক সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বিতর্ক (প্রসঙ্গগত পটভূমি)।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |