পটিয়া থানার ওসি জায়েদ নূরের অপসারণ নিয়ে বিশেষ প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের
বিশিষ্ট অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সম্প্রতি পটিয়া থানার ওসি জায়েদ নূর এর অপসারণ বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে মন্তব্য করেছেন। তিনি তার ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে বলেন, “এতদিন ধরে পটিয়া থানার ওসি জায়েদ নূর বেশ কিছু আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করেছেন। তাহলে হঠাৎ করেই তাকে কেন হাসিনার দোসর বলে অপসারণের দাবি উঠছে?”
জুলকারনাইন সায়ের অপসারণের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “পটিয়া থানার ওসি জায়েদ নূর পটিয়া থানা এলাকায় বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছেন এবং সেসব গ্রেপ্তারি অনেকের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু এরপরেই কেন তাকে ‘হাসিনার দোসর’ বলে অপসারণের দাবি উঠল? এই পরিস্থিতি অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়।”
জুলকারনাইন সায়ের আরো বলেন, “দীপঙ্কর দে ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন এবং তার নামে থানায় কোনো মামলা ছিল না। কিন্তু তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে মারপিটের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর, পূর্ব এশিয়ার প্রভাবশালী একটি দেশের রাষ্ট্রদূত বিষয়টি সরকারের নজরে আনে।”
তিনি আরো জানান, “থানায় দীপঙ্করকে আনা হলে পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তাকে আটক করতে অপারগতা প্রকাশ করা হয়েছে।” এর পরবর্তী সময়ে, সমন্বয়করা থানায় গ্লাস ভাঙচুর করলে, ওসি’র নির্দেশে পুলিশ সদস্যরা লাঠিপেটা করেন। এর পর থেকেই, ওসি জায়েদ নূরকে ‘হাসিনার দোসর’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পটিয়া থানার ওসি জায়েদ নূর এবং সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে, জুলকারনাইন সায়ের এর তর্কযোগ্য প্রশ্নটি দেশের রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন এক মোড় নিয়েছে এবং থানা ও সরকারী কর্মকর্তাদের প্রতি সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পুনঃমূল্যায়ন করার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে।
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |