বিএনপির নজরুল ইসলাম খান: ‘প্রশাসনে বিএনপির লোক বসানো হয়নি’
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে বিএনপির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার মধ্যে কোনো সত্যতা নেই। তিনি বলেন, “যিনি এই অভিযোগ এনেছেন, তিনি উপদেষ্টা থাকাকালে সব জায়গায় বিএনপির লোক বসিয়েছেন। কিন্তু বিএনপি কখনো প্রশাসনে কোনো লোক বসায়নি, বরং ১৫ বছর ধরে যাদের বঞ্চিত করা হয়েছে, তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরো জানান, “আমরা কাউকে কোথাও বসাইনি, বরং যারা উপেক্ষিত ছিলেন তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।”
নজরুল ইসলাম খানের এই বক্তব্যটি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া হিসেবে আসে। গত বুধবার (১৮ এপ্রিল), ঢাকায় সফররত মার্কিন কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, “প্রশাসন অনেক জায়গায় বিএনপির পক্ষে কাজ করছে, এ ধরনের প্রশাসনের অধীনে নির্বাচন করা সম্ভব নয়।”
এ প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এটি প্রমাণিত যে, বিএনপির পক্ষ থেকে কখনোই প্রশাসনে অনৈতিকভাবে লোক বসানোর চেষ্টা হয়নি।”
নজরুল ইসলাম খান তার বক্তৃতায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ সম্পর্কে কথা বলেন। তিনি জানান, “আমরা সম্প্রতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি এবং যুগপৎ আন্দোলনের শরীকদের তা অবহিত করা হচ্ছে।”
তিনি আরো বলেন, “আগামী মে মাসের মধ্যে ঐকমত্য কমিশনের কাজ শেষ হবে এবং জুনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনও প্রস্তুত হয়ে যাবে। তাহলে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হতে বাধা কোথায়?”
নজরুল ইসলাম খান এসময় ৩১ দফা-এর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “যদি ৩১ দফার চাইতে আরও বেশি জনকল্যাণমুখী সুপারিশ আসে, তাহলে বিএনপি তা গ্রহণ করবে। তবে, জনগণের স্বার্থে যা প্রয়োজন, তা করতে বিএনপি প্রস্তুত।”
বিএনপির এই নেতা লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে লেবার পার্টির বৈঠক-এর পর গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “আসন্ন নির্বাচনের জন্য বিএনপি একটি যুগপৎ আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, যেখানে নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।”
এসময়, তিনি দলের তরফ থেকে আসন্ন নির্বাচনের জন্য সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশের দাবি জানান।
[আরও পড়ুন]:
বিএনপি’র নির্বাচনী প্রস্তুতি: কেমন হতে পারে ২০২৫ সালের নির্বাচন?
বিএনপি ও এনসিপি: রাজনৈতিক ঐকমত্যের পথে কি আসছে একাত্মতা?
নির্বাচনী সংস্কার: কী চাচ্ছে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো?
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |